• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • Viral NewsBD | ভাইরাল নিউজ
শিরোনামঃ
কুমিল্লা সীমান্তে ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি তারাগঞ্জের চিকলি নদীতে গোসল করতে নেমে বৃদ্ধের মৃত্যু জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল, মাগুরায় খেলার ফাঁকে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই চাচাতো বোনের খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু, কাহালুতে হৃদয়বিদারক ঘটনা বদলগাছীতে কলাপাতা কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে প্রাণ গেল বৃদ্ধের, আটক ২ জয়পুরহাটে ডিবির অভিযানে ৫৫১ বেতল যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার,আটক ১ বাগমারা’য় পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, ৬ পরীক্ষার্থীসহ আহত ৭ জামালপুরে পৃথক দুই মামলায় ১ জনের মৃত্যুদন্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চট্টগ্রামে শিশু আয়নী হত্যা মামলায় আসামি রুবেলের মৃত্যুদণ্ড

দিনাজপুরেই কেটেছে বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব–কৈশোর, স্মৃতিবহ ‘তৈয়বা ভিলা’

রিপোর্টার: / ৪৮৫ সময় আগে
পোস্ট হয়েছেঃ বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

649
দিনাজপুরেই কেটেছে বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব–কৈশোর, স্মৃতিবহ ‘তৈয়বা ভিলা’ আজও বহন করছে ইতিহাস
ওয়ায়েস কুরুনী :-
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে দিনাজপুর শহরেই। দিনাজপুর জেলার কন্যা হিসেবে তিনি বেড়ে উঠেছেন এখানকার ঐতিহ্যবাহী এক পরিবারে। পরিবারের সদস্যরা আদর করে তাঁকে ডাকতেন ‘পুতুল’ নামে।
দিনাজপুর পৌর শহরের বালুবাড়ি এলাকায় অবস্থিত তাঁর পারিবারিক বাড়িটির নাম ‘তৈয়বা ভিলা’। মায়ের নামানুসারেই বাড়িটির নামকরণ করা হয়। এই বাড়িতেই কাটে তাঁর শৈশব ও কৈশোরের গুরুত্বপূর্ণ সময়।
শিক্ষাজীবনের শুরুটাও হয় দিনাজপুরেই। ১৯৫৪ সালে তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরবর্তীতে একই বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন (এসএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
বর্তমানে বালুবাড়ির ঐতিহাসিক ‘তৈয়বা ভিলা’ ভবনটি ‘ন্যাশনাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে ভবনের দ্বিতীয় তলায় এখনও সংরক্ষিত রয়েছে সেই কক্ষগুলো, যেখানে একসময় বসবাস করতেন বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর বাবা-মা।
এই কক্ষগুলোর দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন একজন প্রবীণ গৃহপরিচারিকা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে খালেদা জিয়ার বাবা-মায়ের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। আজও তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে ঐতিহাসিক সেই কক্ষগুলোর দেখভাল করে যাচ্ছেন।
দিনাজপুরের এই ঐতিহ্যবাহী বাড়িটি শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে আজও নীরবে সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bdit.com.bd