
স্বামী অক্ষম প্রমাণিত হলে নারী তালাক দিতে পারে আইনত। অনেক নারীই এজন্য তালাকের দিকে যায়। তবে বিষয়টি জানা উচিত যে, অক্ষমতা অনেকেরই অস্থায়ীভাবে হয়। চিকিৎসায় ভালো হয়। তাই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জেনে নেওয়া উচিত, সমস্যাটি স্থায়ী কি না।
১. আমার স্ত্রী বলছিল তাদের গ্রামের একটি ঘটনা। যেখানে বিয়ের পরদিনই কনে বাপের বাড়ি চলে আসে এবং স্বামীকে অক্ষমতার অভিযোগে তালাক দেয়। পরে অবশ্য সেই জামাইয়ের অন্যত্র বিয়ে হয়েছে এবং দুটি সন্তানও হয়েছে। সে সময় একটু ধৈর্য্য ধরলেই সংসার টিকে যেত।
২. আমার পরিচিত আরেকজন নারী বিয়ের ২দিন পর থেকেই স্বামীর অক্ষমতার বিষয়ে সন্দেহ করে। শ্বশুরবাড়িতে সবার সঙ্গে দুব্যৃবহার করে বিষয়টি বুঝিয়ে দিয়ে সবাইকে লজ্জার মধ্যে ফেলে। সে সময় জামাই কিছুটা অসুস্থ থাকায় তাকে অক্ষম বলে মনে করেছিলেন কনে। যদিও তিনি সুস্থ হয়েছিলেন। পরে বোঝা গিয়েছিল পাত্রের শারীরিক কোনো সমস্যা নেই।
৩. আমার এক আত্মীয় বিয়ের পরদিনই জামাইয়ের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছিলেন। যদিও জামাই অন্য অসুস্থতায় কড়া ওষুধ খেতেন বিধায় এ ঘটনা ঘটেছিল। পরে অক্ষমতার চিকিৎসা করা হয়নি। কিছুদিন পর তাদের তালাকও হয়েছিল ভিন্ন কারণে।
৪. বিয়ের দেড় বছর পর তালাক হয় তাদের দুজনের। জামাইয়ের ঠিক অক্ষমতা নয় তবে অত্যন্ত কম আগ্রহ। এছাড়া পারিবারিক অন্যান্য সমস্যাও ছিল। কন্যা দেড় বছর ছিল তার ঠিক হওয়ার অপেক্ষায়। কিন্তু চিকিৎসা করতে যায়নি তারা।
অনেক নারী নিজেরাই শারীরিক ঘনিষ্টতায় কম আগ্রহী। শুধু সন্তানের প্রয়োজনে কিংবা একেবারেই অনিচ্ছায়