• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
  • Viral NewsBD | ভাইরাল নিউজ
শিরোনামঃ
কুমিল্লা সীমান্তে ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি তারাগঞ্জের চিকলি নদীতে গোসল করতে নেমে বৃদ্ধের মৃত্যু জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল, মাগুরায় খেলার ফাঁকে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই চাচাতো বোনের খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু, কাহালুতে হৃদয়বিদারক ঘটনা বদলগাছীতে কলাপাতা কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে প্রাণ গেল বৃদ্ধের, আটক ২ জয়পুরহাটে ডিবির অভিযানে ৫৫১ বেতল যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার,আটক ১ বাগমারা’য় পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, ৬ পরীক্ষার্থীসহ আহত ৭ জামালপুরে পৃথক দুই মামলায় ১ জনের মৃত্যুদন্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চট্টগ্রামে শিশু আয়নী হত্যা মামলায় আসামি রুবেলের মৃত্যুদণ্ড

হিলি খাদ্য গুদামে ধান না কেনার অভিযোগে কৃষকদের হতাশা

রিপোর্টার: / ৩৭৩ সময় আগে
পোস্ট হয়েছেঃ বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
হিলি খাদ্য গুদামে ধান না কেনার অভিযোগে কৃষকদের হতাশা
হিলি খাদ্য গুদামে ধান না কেনার অভিযোগে কৃষকদের হতাশা

549

দিনাজপুরের হিলি খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান না কেনার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও সরকারি গুদামে ধান সংগ্রহ না করায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, খোলা বাজারে ধানের দাম কম থাকায় ন্যায্য মূল্য পাওয়ার আশায় গুদামে ধান বিক্রি করতে এলেও কর্তৃপক্ষ ধান না নিয়ে তাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন।
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধান ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি কেজি ৩৪ টাকা দরে সংগ্রহ করার কথা ছিল। কিন্তু কৃষকদের দাবি, কর্মকর্তার গাফলতির কারণেই ধান সরকারি গুদামে জমা দিতে পারেননি তারা। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন উৎপাদকরা। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান ভুক্তভোগী কৃষকরা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এলএসডি ওসি সাজেদুর রহমান বলেন,“কয়েকজন কৃষক ধান নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু ধানের আর্দ্রতা বেশি থাকায় শুকিয়ে আনতে বলা হয়েছিল। এর মধ্যে ধান সংগ্রহের সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় আর নেওয়া সম্ভব হয়নি।”
এদিকে জানা গেছে, প্রতি বছর কৃষকদের সচেতন ও উৎসাহিত করতে ধান ক্রয়ের আগে মাইকিং করা হলেও এবার সেই উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুর রহমান জানান, আবেদনপত্রের ভিত্তিতে ধান সংগ্রহের নিয়ম থাকলেও কৃষি বিভাগের অনুমোদন না থাকায় অনেক কৃষকের ধান গ্রহণ করা যায়নি।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৮ হাজার ১১৮ হেক্টর জমিতে, যা অর্জিত হয়েছে শতভাগ। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭ হাজার ৪২৪ মেট্রিক টন, আর উৎপাদন হয়েছে ২৭ হাজার ৬৮৬ মেট্রিক টন।
কৃষকদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকা সত্ত্বেও সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে না পারায় তারা এখন বড় ধরনের আর্থিক চাপে পড়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bdit.com.bd