• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
  • Viral NewsBD | ভাইরাল নিউজ
শিরোনামঃ
আসিরুল ইসলাম জয়পুরহাটে ডিবির অভিযানে ৫৫১ বেতল যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার,আটক ১ বাগমারা’য় পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, ৬ পরীক্ষার্থীসহ আহত ৭ জামালপুরে পৃথক দুই মামলায় ১ জনের মৃত্যুদন্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চট্টগ্রামে শিশু আয়নী হত্যা মামলায় আসামি রুবেলের মৃত্যুদণ্ড মাগুরার শ্রীপুরে শিশু রাজিয়া খাতুন ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামির মৃত্যুদণ্ড। জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে বৈদ্যুতিক সুইচ মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ধুনটে বিশেষ অভিযানে ৪৮টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে অটোরিকশা ছি,নতাইয়ের সময় সু,রিকাঘাতে নিহত প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলের কিশোরীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

​ঘোড়াঘাটে পুলিশের বিতর্কিত অভিযান: মাদক না পেয়ে ঘরের মোবাইল ও টর্চলাইট লুটের অভিযোগ

রিফাত হোসেন, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: / ৭ সময় আগে
পোস্ট হয়েছেঃ রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

9

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে এক পরিবারের বসতবাড়িতে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তল্লাশিতে কোনো মাদক বা অবৈধ কিছু উদ্ধার না হলেও পুলিশের একটি দল তাদের বাড়ি থেকে এক তরুণীর ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও একটি টর্চ লাইট নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত বুধবার (১৫ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর বুলাকীপুর ইউনিয়নের কৃষ্টরামপুর গ্রামের ফিরু নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন ঘোড়াঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় বাড়ির পুরুষ সদস্যরা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। পুলিশ সদস্যরা বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ তল্লাশি করলেও কোনো মাদকদ্রব্য বা অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করতে পারেননি। এছাড়া অভিযানে ফিরুকে গ্রেপ্তার বা আটকও করা হয়নি।
ফিরুর স্ত্রীর অভিযোগ, কোনো অপরাধের আলামত না পেয়ে পুলিশ ঘরের জিনিসপত্র তল্লাশির একপর্যায়ে কোনো জব্দ তালিকা (সিজার লিস্ট) প্রস্তুত না করেই তাদের ছোট মেয়ের ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং একটি কালো টর্চ লাইট নিয়ে যায়। পুলিশের ধারণা ছিল, মোবাইলটি ফিরু ব্যবহার করেন।
পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা থানায় যোগাযোগ করলে পুলিশ জানায়, মোবাইল ফোনটি পরে ফেরত দেওয়া হবে এবং এ জন্য থানায় আসার প্রয়োজন নেই; একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে সেটি পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তবে কী কারণে ফোন ও টর্চ থানায় নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো লিখিত বা আইনগত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে এসআই মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি এখন ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব।” এরপর তিনি ফোন কেটে দেন।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি প্রথমে বলেন, “এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।”
পরে বিস্তারিত জানতে চাইলে ওসি বলেন, “অভিযানের বিষয়ে আমি এই মুহূর্তে পুরো তথ্য জানি না। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জেনে বলতে পারব। যদি জব্দ করা মোবাইলটি মাদক ব্যবসায়ীর পরিবারের কারও বৈধ মালিকানাধীন হয়, তাহলে প্রকৃত মালিক থানায় এসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে সেটি বুঝে নিতে পারবেন।”
আইন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোনো মালামাল জব্দ করলে ঘটনাস্থলেই সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে তার একটি কপি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দিতে হয়। অভিযোগে বর্ণিত ঘটনা সত্য হলে তা আইনগতভাবে প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার তাদের মালামাল দ্রুত ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
ছবির ক্যাপশন:
অভিযানের নেতৃত্বে থাকা ঘোড়াঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bdit.com.bd