• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
  • Viral NewsBD | ভাইরাল নিউজ
শিরোনামঃ
কুমিল্লা সীমান্তে ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি তারাগঞ্জের চিকলি নদীতে গোসল করতে নেমে বৃদ্ধের মৃত্যু জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল, মাগুরায় খেলার ফাঁকে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই চাচাতো বোনের খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু, কাহালুতে হৃদয়বিদারক ঘটনা বদলগাছীতে কলাপাতা কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে প্রাণ গেল বৃদ্ধের, আটক ২ জয়পুরহাটে ডিবির অভিযানে ৫৫১ বেতল যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার,আটক ১ বাগমারা’য় পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, ৬ পরীক্ষার্থীসহ আহত ৭ জামালপুরে পৃথক দুই মামলায় ১ জনের মৃত্যুদন্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চট্টগ্রামে শিশু আয়নী হত্যা মামলায় আসামি রুবেলের মৃত্যুদণ্ড

১৬০ কেজি গাঁজা আত্মসাতের অভিযোগে দাউদকান্দি থানার ওসি প্রত্যাহার

রিপোর্টার: / ৭৭ সময় আগে
পোস্ট হয়েছেঃ বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

130

কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল বারীকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। থানার দুই উপপরিদর্শকের (এসআই) এর বিরুদ্ধে ১৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করে তা বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) কুমিল্লার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। ​স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দাউদকান্দি মডেল থানার দুই এসআইয়ের বিরুদ্ধে ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধারের পর তা গোপনে বিক্রি করে দেওয়ার একটি অভিযোগ ওঠে। গত সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো উদ্ধারকৃত মাদক বিক্রির এই গুরুতর অভিযোগের পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এর পরিপ্রক্ষিতেই মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে ওসি আবদুল বারীকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করা হয়। ​এদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদায়ী ওসি মো. আবদুল বারী। তিনি দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে একটি পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে এবং সেই সংবাদের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দাউদকান্দি মডেল থানায় মাদক বিক্রির মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি বলে তার দাবি।​ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন জানিয়ে ওসি আবদুল বারী বলেন, যদি আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়, প্রয়োজনে আমি চাকরি ছেড়ে দেব। কিন্তু মিথ্যা অপবাদ নিয়ে আমি কর্মস্থল ছাড়ছি না। ​পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং থানার চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতেই এই প্রত্যাহার আদেশ জারি করা হয়েছে। মাদক গায়েবের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করার প্রক্রিয়া চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bdit.com.bd