• বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
  • Viral NewsBD | ভাইরাল নিউজ
শিরোনামঃ
বাগেরহাটের চিতলমারীতে মধুমতি চরের খাস জমি দখল নিয়ে একে একে তিন খুনঃচলছে রক্তের হোলিখেলা!বাড়ি ঘর পুড়ে ছাঁই! বগুড়ার গাবতলীর মহিষাবানে রাতের আঁধারে শ্যালো মেশিন ঘরে ঘুমন্ত সেচ মালিককে খুন যৌথ অভিযানে পাচারের আগেই উদ্ধার করা হলো দুষ্প্রাপ্য কষ্টিপাথরের মূর্তি ও মূল্যবান বেলে পাথরের শীলা। তরুনের হাতে এক শিশু কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষন “সৌহার্দ্য পরিবহনের চালক আরমান খানসহ ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে “ ইবিতে ছুরিকাঘাতে শিক্ষিকাকে হ/ত্যা স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম তাই পুত্রবধূর গর্ভে শ্বশুরের সন্তান, গভীর রাতে নিজের মায়ের বয়সী অসুস্থ ভাবীকে জ্বরের ঔষধ দিতে এসে পরকীয়ার অভিযোগে আটক হয়েছে দেবর, হুজুরের তাবিজ এর পাওয়ারে মহিলা একদমে বিছানায় গোবিন্দগঞ্জে ১৫ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার

ফেলানী হত্যার ১৫ বছর: কাঁটাতারে ঝুলে থাকা বিচারহীনতার প্রতীক

রিপোর্টার: / ১৮১ সময় আগে
পোস্ট হয়েছেঃ বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬

272

আজ ৭ই জানুয়ারি। ২০১১ সালের এই দিনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছিল কিশোরী ফেলানী খাতুন। ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও সেই কাঁটাতারের কান্না থামেনি, মেলেনি কাঙ্ক্ষিত বিচার।
সেদিন বিএসএফ-এর বুলেটে বিদ্ধ হয়ে কাঁটাতারে ঝুলন্ত অবস্থায় দীর্ঘ সময় মৃত্যুযন্ত্রণায় ছটফট করেছিল ফেলানী। অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেও প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা তার নিথর দেহটি ঝুলে ছিল সেই কাঁটাতারের বেড়ায়। সেই দৃশ্য শুধু একটি লাশের ছবি ছিল না; বরং সেদিন কাঁটাতারে ফেলানীর মরদেহের সাথে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বও ঝুলে ছিল।
ফেলানীর ঝুলন্ত মরদেহের সেই ছবি বিশ্ববিবেকের কাছে সীমান্ত হত্যার এক নির্মম প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, ১৫ বছর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও রাষ্ট্র আজও ফেলানী হত্যার প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করতে পারেনি। বার বার আশ্বাস দিলেও ন্যায়বিচার আজও অধরা।
ফেলানী হত্যার এই দিবসে আমরা আবারও জোর দাবি জানাচ্ছি,
– সীমান্তে সব ধরণের হত্যাকাণ্ডের স্থায়ী অবসান ঘটাতে হবে।
– ফেলানী হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
– সীমান্তে বিএসএফ-এর অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে কার্যকর কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

জানুয়ারি 2025
বৃ শু
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
bdit.com.bd