আসন্ন নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে আপনি সংস্কারের পক্ষে ‘না’ ভোট দিলে সংস্কারের বিপক্ষে।
প্রতিনিধি :গোলাম মোস্তফা।
/ ২১
সময় আগে
পোস্ট হয়েছেঃ
মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
শেয়ার করুন
আসন্ন নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে আপনি সংস্কারের পক্ষে ‘না’ ভোট দিলে সংস্কারের বিপক্ষে।
আসন্ন নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে আপনি সংস্কারের পক্ষে ‘না’ ভোট দিলে সংস্কারের বিপক্ষে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-কে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ ভোট নিয়ে একটি লিফলেট প্রকাশ করা হয়েছে। লিফলেটটির শিরোনাম: “গণভোট ২০২৬: সংসদ নির্বাচন দেশের চাবি আপনার হাতে”। লিফলেটে জনগণকে জানানো হয়েছে, গণভোটের মাধ্যমে দেশে এমন কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব, যা দেশের ক্ষমতার ভারসাম্য, গণতন্ত্র ও বিচারব্যবস্থা স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। গণভোটে "হা "ভোট...
35
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-কে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ ভোট নিয়ে একটি লিফলেট প্রকাশ করা হয়েছে। লিফলেটটির শিরোনাম: “গণভোট ২০২৬: সংসদ নির্বাচন দেশের চাবি আপনার হাতে”।
লিফলেটে জনগণকে জানানো হয়েছে, গণভোটের মাধ্যমে দেশে এমন কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব, যা দেশের ক্ষমতার ভারসাম্য, গণতন্ত্র ও বিচারব্যবস্থা স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে।
গণভোটে “হা “ভোট বাংলাদেশের স্বাধীনতা সাত সাধারণ মানুষের অধিকার, খেটে খাওয়া মানুষের প্রাণের দাবি। যা স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে সাধারণ মানুষ অর্জন করতে পারেনি , এবার একটু সুযোগ এসেছে এ সুযোগ হাতছাড়া করা মোটেও ঠিক হবে না। “না ” ভোট গোলামির সেকালে আবদ্ধ হওয়ার It’s ভোট। তাই আসুন আমরা “হা “ভোট দেই।
উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হলো:
1.তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দলের যৌথ অংশগ্রহণ।
2.সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
3.সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।
4.বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
5.প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর।
6.সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব ধাপে ধাপে বাড়বে।
7.ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে উচ্চকক্ষ গঠন হবে।
8.দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
9.মৌলিক অধিকারের সংখ্যা বৃদ্ধি (যেমন ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা যাবে না)।
10.দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
11.রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
“”লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে এগুলো পাওয়া যাবে, ‘না’ ভোট দিলে কিছুই পাবেন না। পরিবর্তনের চাবি এবার আপনার হাতে””