দিনাজপুরেই কেটেছে বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব–কৈশোর, স্মৃতিবহ ‘তৈয়বা ভিলা’ আজও বহন করছে ইতিহাস ওয়ায়েস কুরুনী :- বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে দিনাজপুর শহরেই। দিনাজপুর জেলার কন্যা হিসেবে তিনি বেড়ে উঠেছেন এখানকার ঐতিহ্যবাহী এক পরিবারে। পরিবারের সদস্যরা আদর করে তাঁকে ডাকতেন ‘পুতুল’ নামে। দিনাজপুর পৌর শহরের বালুবাড়ি এলাকায় অবস্থিত তাঁর পারিবারিক বাড়িটির নাম ‘তৈয়বা ভিলা’। মায়ের নামানুসারেই বাড়িটির নামকরণ করা হয়। এই বাড়িতেই কাটে তাঁর শৈশব ও কৈশোরের গুরুত্বপূর্ণ সময়। শিক্ষাজীবনের শুরুটাও...
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে দিনাজপুর শহরেই। দিনাজপুর জেলার কন্যা হিসেবে তিনি বেড়ে উঠেছেন এখানকার ঐতিহ্যবাহী এক পরিবারে। পরিবারের সদস্যরা আদর করে তাঁকে ডাকতেন ‘পুতুল’ নামে।
দিনাজপুর পৌর শহরের বালুবাড়ি এলাকায় অবস্থিত তাঁর পারিবারিক বাড়িটির নাম ‘তৈয়বা ভিলা’। মায়ের নামানুসারেই বাড়িটির নামকরণ করা হয়। এই বাড়িতেই কাটে তাঁর শৈশব ও কৈশোরের গুরুত্বপূর্ণ সময়।
শিক্ষাজীবনের শুরুটাও হয় দিনাজপুরেই। ১৯৫৪ সালে তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরবর্তীতে একই বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন (এসএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
বর্তমানে বালুবাড়ির ঐতিহাসিক ‘তৈয়বা ভিলা’ ভবনটি ‘ন্যাশনাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে ভবনের দ্বিতীয় তলায় এখনও সংরক্ষিত রয়েছে সেই কক্ষগুলো, যেখানে একসময় বসবাস করতেন বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর বাবা-মা।
এই কক্ষগুলোর দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন একজন প্রবীণ গৃহপরিচারিকা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে খালেদা জিয়ার বাবা-মায়ের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। আজও তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে ঐতিহাসিক সেই কক্ষগুলোর দেখভাল করে যাচ্ছেন।
দিনাজপুরের এই ঐতিহ্যবাহী বাড়িটি শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে আজও নীরবে সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।