• শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
  • Viral NewsBD | ভাইরাল নিউজ
শিরোনামঃ
মির্জাপুরে অভিযান চালিয়ে 500 পিস ইয়াবা সহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা পরিচালকের ১০ বছরের সাজা। ফরিদপুরে সালথা উপজেলায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার, বাগেরহাটের চিতলমারীতে মধুমতি চরের খাস জমি দখল নিয়ে একে একে তিন খুনঃচলছে রক্তের হোলিখেলা!বাড়ি ঘর পুড়ে ছাঁই! বগুড়ার গাবতলীর মহিষাবানে রাতের আঁধারে শ্যালো মেশিন ঘরে ঘুমন্ত সেচ মালিককে খুন যৌথ অভিযানে পাচারের আগেই উদ্ধার করা হলো দুষ্প্রাপ্য কষ্টিপাথরের মূর্তি ও মূল্যবান বেলে পাথরের শীলা। তরুনের হাতে এক শিশু কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষন “সৌহার্দ্য পরিবহনের চালক আরমান খানসহ ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে “ ইবিতে ছুরিকাঘাতে শিক্ষিকাকে হ/ত্যা স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম তাই পুত্রবধূর গর্ভে শ্বশুরের সন্তান,

ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা পরিচালকের ১০ বছরের সাজা।

বিপুল চন্দ জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর / ২৬ সময় আগে
পোস্ট হয়েছেঃ বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

31

ফরিদপুর শহরে নিজ মাদ্রাসার হেফজখানার পাশের কক্ষে মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসার পরিচালককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। এই জরিমানার টাকা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেওয়ার জন্য ফরিদপুরের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মাদ্রাসা পরিচালকের নাম মো. আশরাফ আলী (৪৬)। তিনি ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ গোয়ালচামট মহল্লায় অবস্থিত রওজাতুন-নেছা মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক এবং ওই মহল্লারই বাসিন্দা। তিনি ওই মাদ্রাসার একটি কক্ষে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ গোয়ালচামট মহল্লার রওজাতুন-নেছা মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী হিসেবে পড়াশোনা করত। সে হেফজখানার শিক্ষার্থী ছিল। ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাদ্রাসার হেফজখানার শ্রেণিকক্ষ থেকে নিজের থাকার কক্ষে ছাত্রীকে ডেকে নেন পরিচালক আশরাফ আলী। ওই দিন আশরাফের স্ত্রী-সন্তান বাসায় ছিল না। বাসা ফাঁকা থাকার এই সুযোগে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন আশরাফ। পরে দৌড়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায় ওই ছাত্রী। এরপর বাড়িতে এসে সে বাবা-মাকে এসব কথা খুলে বলে। তারা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ঘটনার ১৭ দিন পর ৯ এপ্রিল মাদ্রাসা পরিচালক আশরাফ আলীকে একমাত্র আসামি করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা। তখন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করলেও পরে তিনি ছাড়া পান।এরপর মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
মামলাটি তদন্ত করে ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নূর হোসেন মাদ্রাসা পরিচালক আশরাফ আলীকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওই আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, আদালত জরিমানার ৭০ হাজার টাকা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য ফরিদপুরের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি আদালত ওই আসামির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেছেন। তিনি বলেন, আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

জুন 2026
বৃ শু
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031  
bdit.com.bd