• রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
  • Viral NewsBD | ভাইরাল নিউজ
শিরোনামঃ
ইবিতে ছুরিকাঘাতে শিক্ষিকাকে হ/ত্যা স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম তাই পুত্রবধূর গর্ভে শ্বশুরের সন্তান, গভীর রাতে নিজের মায়ের বয়সী অসুস্থ ভাবীকে জ্বরের ঔষধ দিতে এসে পরকীয়ার অভিযোগে আটক হয়েছে দেবর, হুজুরের তাবিজ এর পাওয়ারে মহিলা একদমে বিছানায় গোবিন্দগঞ্জে ১৫ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার আমার শ্বাশুড়ির বয়স ৫৮ উনি বিধবা হয়েছেন ৩ মাস। উনি এখন বিয়ে করতে চান। কি করব আমরা? জানলে আপনিই লজ্জা পাবেন ছেলেদের দেখলে মেয়েরা ওড়না ঠিক করে কেন? স্বামী আর ২ দিনের প্রেমিক কখনও এক হতে পারে না এক শকুনের বাচ্চা তার বাপের কাছে বায়না ধরলো, — “বাবা, আমি মানুষের মাংস খাব! “ বয়সন্ধি কালে সন্তান পৌঁছালে মা বাবার সন্তানের প্রতি আচরণ কেমন হওয়া উচিত?

ইবিতে ছুরিকাঘাতে শিক্ষিকাকে হ/ত্যা

রিপোর্টার: / ১০৪ সময় আগে
পোস্ট হয়েছেঃ বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

153

ইবিতে ছুরিকাঘাতে শিক্ষিকাকে হ/ত্যা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে নি/হ/ত হয়েছেন সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক ড. আসমা সাদিয়া রুনা। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ২২৬ নং কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ফজলুর রহমান রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী। সাদিয়া রুনাকে হত্যার পর সেই কক্ষেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে অভিযুক্ত কর্মচারী। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। পরে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেয়া হলে শিক্ষককে মৃত ঘোষণা করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হোসাইন ইমাম।
জানা যায়, বিভাগের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠান থাকায় অফিস সময়ের পরেও সেখানে অবস্থান করছিলেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিকাল ৪টার দিকে আনসার সদস্যরা বিভাগের কক্ষে চেঁচামেঁচির আওয়াজ শুনতে পান। পরে সেখানে গিয়ে অফিসের দরজা বন্ধ পান তারা। এসময় বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত হয়ে দরজা ভেঙে ওই শিক্ষকের নিথর দেহ দেখতে পান। সে সময় কর্মচারী ফজলুর রহমানকে নিজের গলায় ছুরি চালাতে দেখেন তারা। পরে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানার কর্তৃপক্ষকে জানান। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। পরে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেয়া হলে ওই শিক্ষককে মৃত ঘোষণা করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হোসাইন ইমাম।
বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ফজলুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত সমাজকল্যাণ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। পরে বেতন বৃদ্ধি নিয়ে এক মাস আগে ঐ শিক্ষকের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। এতে তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এ ঘটনার জেরে আজকের এ ঘটনা ঘটেছে।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, চিৎকারের আওয়াজ পেয়ে ২২৬নং রুমের দিকে গেলে আমরা দেখি বাইর থেকে আনসার সদস্যরা দরজা ধাক্কা দিচ্ছে। দরোজা ভেতর থেকে আটকা পাই। পরে সাতজন মিলে হচ্ছে দরোজা ধাক্কালে একপর্যায়ে দরোজাটা খুলে যায়। খুলে দেখেন, শিক্ষক রুনা দরোজার পাশেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। আর ওই ফজলু (কর্মচারী) নিজের গলা নিজেই ছুরি চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইমাম হোসাইন জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার আগেই তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। তার গলা, হাতে পায়ে ছুরির আঘাতের ক্ষত পাওয়া গেছে। ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, আমরা ঘটনা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পরে ওই কক্ষ থেকে দু’জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষককে মৃত ঘোষণা করেন। আরেকজন ওটিতে চিকিৎসাধীন আছেন।
প্রক্টর ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, আমরা পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এসময় একজনের নিথর দেহ ও একজনকে নড়াচড়া অবস্থায় উদ্ধার করি। পরে দ্রুত কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠালে জানতে পারি কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষককে মৃত ঘোষণা করেন।
ভিসি ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, এ ঘটনা অত্যন্ত অকল্পনীয় ও অপ্রত্যাশিত। জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সহযোগিতায় অবশ্যই বিচার করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

মার্চ 2026
বৃ শু
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728  
bdit.com.bd