
রাত বাজে ৩ টা, এলাকার মানুষ ভাবতাছে কিরে আজকে দেহি হুজুর সেহেরি খাওয়ার জন্য আমাগোরে ডাকে না চল দেখি গিয়ে হুজুরের কিছু হইলো নাকি,
পোলাপাইন মসজিদে গিয়ে ডাকতাছে ও হুজুর আপনি আছেন নি,ও জসিম উদ্দিন আল কাদেরী হুজুর আপনি কি রুমে আছেন নি,ওমা পোলাপাইন মসজিদের দুই তলায় উঠে হুজুরের রুমে ঢুকে দেখে হুজুর নাইকা ময়ুরীর মতো খদার খশি নিয়ে খেলাধুলায় ব্যাস্ত,
নাউজুবিল্লাহ
তারপর এলাকার পোলাপাইন লোকজন ডেকে এনে হুজুরকে জিগ্গেস করলে হুজুর বলে এই খদার খশি বেডি নাকি তার তাবিজ নেয়া কাস্টমার, আস্তাগফিরুল্লাহ,এই বিষয়ে বেডিরে জিগ্গেস করলে বেডি দাবি করে এর আগেও আরো তিন বার হুজুর বেডিরে এই মসজিদের হুজরাখানায় এনে রাত কাটিয়েছেন,
মারহাবা,তারপর মসজিদ কমিটি হুজুরের বউকে ফোন করে বিষয়টি জানিয়ে দিলে হুজুরের বউ বলে,মাফি মুশকিলা,ইন্তা খবিছ হালার হালা, দুই মাস ধরে আমার কাছে আসেনা খরছ পাতি ও দেয় না,আমি আর এই খারাপের সংসার করমু না পরেরদিন সকালে হুজুর ও খদার খশি বেডিরে রোজা না রাখিয়ে,কাজী এনে সারাজীবনের জন্য সেহেরি খাওয়ার সুযোগ করে দিলেন..!
এবার চিন্তা করেন একজন হুজুর লাস্ট পর্যন্ত মসজিদের হুজরাখানায় অন্য বেডি নিয়ে রাত কাটাচ্ছে নোংরামি করছে, আবার ইমামতিও করবে তার পিছনে মানুষ নামাজ কেমনে পড়বে ??
“প্রতিটা স্থানেই হুজুরদেরকে পরিবারসহ কোয়ার্টার এর ব্যবস্থা রাখা উচিত”
ঘ”টনা’টি ঘ’টে- চট্টগ্রাম হালিশহর বন্দরটিলা জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নারীসহ আ*ট*ক ইমাম