সুন্দরবনে নারী পর্যটকসহ ৭ জনকে জিম্মি,২০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী,যৌথবাহিনীর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে বনদস্যু মাসুম বাহিনীর ৬ জন গ্রেফতার
আবু-হানিফ,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
/ ২৭
সময় আগে
পোস্ট হয়েছেঃ
মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
শেয়ার করুন
সুন্দরবনে নারী পর্যটকসহ ৭ জনকে জিম্মি,২০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী,যৌথবাহিনীর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে বনদস্যু মাসুম বাহিনীর ৬ জন গ্রেফতার
সুন্দরবনে নারী পর্যটকসহ ৭ জনকে জিম্মি,২০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী,যৌথবাহিনীর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে বনদস্যু মাসুম বাহিনীর ৬ জন গ্রেফতার
শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে সুন্দরবনে ডাকাত দলের হাতে জিম্মি থাকা দুই পর্যটক ও এক রিসোর্ট মালিককে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে নৌবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের যৌথ বাহিনী। এ সময় নগদ ৮১ হাজার ৪০০ টাকাসহ বনদস্যু মাসুম বাহিনীর পাঁচ সদস্য ও এক সহযোগীসহ মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এসব তথ্য জানান। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বনদস্যু মাসুম বাহিনীর সদস্য কুদ্দুস হাওলাদার (৪৩), সালাম বক্স (২৪), মেহেদী হাসান (১৯), আলম মাতব্বর (৩৮) ও অয়ন কুন্ডু (৩০) এবং ডাকাত...
41
শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে সুন্দরবনে ডাকাত দলের হাতে জিম্মি থাকা দুই পর্যটক ও এক রিসোর্ট মালিককে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে নৌবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের যৌথ বাহিনী। এ সময় নগদ ৮১ হাজার ৪০০ টাকাসহ বনদস্যু মাসুম বাহিনীর পাঁচ সদস্য ও এক সহযোগীসহ মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বনদস্যু মাসুম বাহিনীর সদস্য কুদ্দুস হাওলাদার (৪৩), সালাম বক্স (২৪), মেহেদী হাসান (১৯), আলম মাতব্বর (৩৮) ও অয়ন কুন্ডু (৩০) এবং ডাকাত সরদার মাসুম মৃধার মা জয়নবী বিবি (৫৫)।
কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে সুন্দরবনের গোলকানন রিসোর্ট থেকে কানুরখাল সংলগ্ন এলাকায় কাঠের বোটে ভ্রমণের সময় পাঁচ পর্যটক,এক মাঝি ও রিসোর্ট মালিকসহ সাতজনকে মাসুম মৃধার নেতৃত্বাধীন একটি ডাকাত দল জিম্মি করে। পরে দুই নারী পর্যটক ও মাঝিকে ছেড়ে দেওয়া হলেও দুই পর্যটক ও গোলকানন রিসোর্টের মালিককে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বিষয়টি রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ কোস্টগার্ডকে জানালে যৌথ অভিযান শুরু হয়।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, তথ্যের ভিত্তিতে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়।অভিযানের অংশ হিসেবে ৩ জানুয়ারি গোলকানন রিসোর্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে কুদ্দুস হাওলাদার, সালাম বক্স ও মেহেদী হাসানকে আটক করা হয়। পরদিন রোববার (৪ জানুয়ারি) সুন্দরবনের কৈলাশগঞ্জ এলাকা থেকে আলম মাতব্বরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
একই দিনে খুলনার রূপসা থানাধীন পালেরহাট এলাকায় বিকাশের মাধ্যমে মুক্তিপণের টাকা উত্তোলনের সময় গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে জয়নবী বিবি ও বিকাশ ব্যবসায়ী অয়ন কুন্ডুকে নগদ ৮১ হাজার ৪০০ টাকাসহ আটক করা হয়।
পরবর্তীতে রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুন্দরবনের গাজী ফিশারিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে ড্রোন সার্ভিলেন্সের মাধ্যমে জিম্মি থাকা দুই পর্যটক ও রিসোর্ট মালিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা আরও জানান, উদ্ধারকৃতদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর এবং আটক ব্যক্তিদের থানায় সোপর্দ করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রধান ডাকাত মাসুম মৃধাকে গ্রেপ্তারে কোস্টগার্ডের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত আছে।
এ বিষয়ে দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন ঘটনার পর থেকেই অপহৃতদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে অভিযান চালানো হয়। এর ধারাবাহিকতায় খুলনার দাকোপ উপজেলার বানিশান্তা এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় রিসোর্ট মালিকের ছেলে শান্তনু বাছাড় বাদী হয়ে রোববার দাকোপ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় বনদস্যুদের নাম উল্লেখসহ ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ করা হয়েছে।