
পঞ্চগড় সদর উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় ক্রসিংয়ে গতরাতে বান্দেরা মাগুড়া সিপাহী পাড়ার আকিরুল ইসলাম (৩০), পিতা মোঃ আরিফুল ইসলাম ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। পরে জনবিক্ষোভ শুরু হয়। কারণ ওই এলাকায় ট্রেন চলাচলের সূচি মানুষের মুখস্থ। আর গতরাতের ট্রেনটি ছিল ন্পেশাল।রাতের অন্ধকার আর কুয়াশায় ট্রেনটা দেখা যায়নি। ট্রেন কোন হুইসেলও দেয়নি। পরে আমি লোকজনকে বুঝিয়ে শুনিয়ে ট্রেন লাইন থেকে তাদের সরিয়ে দিয়ে ট্রেন চলাচল অব্যাহত রেখেছিলাম। এসময় কয়েকটা ওয়াদা দিয়েছিলাম। সেগুলোর কয়েকটা ইতোমধ্যে পালন করেছি।
এক। আজ সকালেই নিহত আকিরুল ইসলামের বাড়িতে গিয়েছি। তার পরিবার ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেছি। তার দাফন কাফনের ব্যয়ের জন্য জেলা প্রশাসন, পঞ্চগড়ের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি। কিছু শুকনা খাবার ও শীত বস্ত্র দিয়েছি।
দুই। নিহতের দুই কন্যা শিশু। বড় কন্যার বয়স ৫ বছর। তার লেখাপড়ার দায়িত্ব নেবে প্রশাসন।
তিন। নিহতের পরিবার দরিদ্র। তার স্ত্রীর জন্য একটি কর্মের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো। প্রশাসন পরিবারটিকে দেখভাল করবে।
চার। আমি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব স্যারের সাথে কথা বলেছি। স্যার রেলওয়ে মারফত সবই জেনেছেন। আমি অরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ সকল রেলক্রসিংয়ে প্রোটেকশনের ব্যবস্থা করে দিতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে পত্র দেবো।
পাঁচ। এরপর থেকে যেসব ক্রোসিংয়ে গেট বা গেটম্যান নেই, সেসব ক্রসিংয়ের আগে হর্ন বাজানো হবে। রেল ক্রসিংয়ে দুপাশে দেখতে সকল বাঁধা অপসারণ করা হবে। রেলওয়ের সার্ভেয়ার দ্রুত কাজ শুরু করবে। রেলওয়ের জমিতে কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা উচ্ছেদ করা হবে।