
সঙ্গমের সময় পুরুষ এমন ভাব করে, যেন সে নারীটিকে ভালোবেসে সঙ্গম করছে; অথচ সত্য হলো— সে নারীটির শারীরিক ভাঁজ, ত্বকের লাবণ্য, নিতম্ব-স্তনের স্ফীতি, অন্যান্য সৌন্দর্য, এসবের লালসায় মত্ত হয়ে সর্বোচ্চ মিনিট পাঁচেকের জন্য সঙ্গম করছে; এবং বীর্যস্খলনের পর নারীটিকে ভুলেই গেছে।
দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসা, এজন্য অনেককিছু স্যাক্রিফাইস করা, সাথে উপহার আনা, হোটেল-খাবারদাবার ও অন্যান্য খরচাদি দেখে মনে হতেই পারে— এসব প্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ। প্রকৃতপক্ষে— এই সবকিছুর একটাই লক্ষ্যঃ সঙ্গম
বেকুবিটা হচ্ছে— অধিকাংশ নারীই এইসবকে ভালোবাসা ভেবে নেয়, লাফ দিয়ে বসে পড়ে পুরুষের কোলে। ঠিক এই কারণেই, নারীদেরকে নামীদামী উপহার ও অন্যান্য বিলাসিতা দিয়ে অন্ধ করে রাখে চতুর পুরুষরা। এভাবে বিক্রি হওয়ার পরেও নারীরা উক্তি ফলায়— টাকা দিয়ে মানুষকে কেনা যায় না ব্রো।
পুরুষ সঙ্গমের বশ। সঙ্গম করার জন্য হেন কিছু নেই সে করতে পারে না! রাজ্য জয় থেকে রাজত্ব ক্ষয়, সম্মান খোওয়ানো থেকে পরিবার হারানো, সবই করে পুরুষ শুধুমাত্র সঙ্গম জন্য উন্মত্ত হয়ে যাওয়ার কারণে। এইসব ভয়ানক কর্মকাণ্ডকে নারী ধরে নেয়— তাকে পাওয়ার জন্য বিপ্লবী নায়ক হয়ে গেছে পুরুষ। প্রেম! প্রেম! আহ্! অথচ, সঙ্গম ও প্রেম কখনোই একই পৃষ্ঠায় থাকে না, এমনকি ডিকশনারিতেও না।