• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
  • Viral NewsBD | ভাইরাল নিউজ
শিরোনামঃ
বাগেরহাটের চিতলমারীতে মধুমতি চরের খাস জমি দখল নিয়ে একে একে তিন খুনঃচলছে রক্তের হোলিখেলা!বাড়ি ঘর পুড়ে ছাঁই! বগুড়ার গাবতলীর মহিষাবানে রাতের আঁধারে শ্যালো মেশিন ঘরে ঘুমন্ত সেচ মালিককে খুন যৌথ অভিযানে পাচারের আগেই উদ্ধার করা হলো দুষ্প্রাপ্য কষ্টিপাথরের মূর্তি ও মূল্যবান বেলে পাথরের শীলা। তরুনের হাতে এক শিশু কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষন “সৌহার্দ্য পরিবহনের চালক আরমান খানসহ ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে “ ইবিতে ছুরিকাঘাতে শিক্ষিকাকে হ/ত্যা স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম তাই পুত্রবধূর গর্ভে শ্বশুরের সন্তান, গভীর রাতে নিজের মায়ের বয়সী অসুস্থ ভাবীকে জ্বরের ঔষধ দিতে এসে পরকীয়ার অভিযোগে আটক হয়েছে দেবর, হুজুরের তাবিজ এর পাওয়ারে মহিলা একদমে বিছানায় গোবিন্দগঞ্জে ১৫ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার

হিলি খাদ্য গুদামে ধান না কেনার অভিযোগে কৃষকদের হতাশা

রিপোর্টার: / ৩০৯ সময় আগে
পোস্ট হয়েছেঃ বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
হিলি খাদ্য গুদামে ধান না কেনার অভিযোগে কৃষকদের হতাশা
হিলি খাদ্য গুদামে ধান না কেনার অভিযোগে কৃষকদের হতাশা

409

দিনাজপুরের হিলি খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান না কেনার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও সরকারি গুদামে ধান সংগ্রহ না করায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, খোলা বাজারে ধানের দাম কম থাকায় ন্যায্য মূল্য পাওয়ার আশায় গুদামে ধান বিক্রি করতে এলেও কর্তৃপক্ষ ধান না নিয়ে তাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন।
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধান ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি কেজি ৩৪ টাকা দরে সংগ্রহ করার কথা ছিল। কিন্তু কৃষকদের দাবি, কর্মকর্তার গাফলতির কারণেই ধান সরকারি গুদামে জমা দিতে পারেননি তারা। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন উৎপাদকরা। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান ভুক্তভোগী কৃষকরা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এলএসডি ওসি সাজেদুর রহমান বলেন,“কয়েকজন কৃষক ধান নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু ধানের আর্দ্রতা বেশি থাকায় শুকিয়ে আনতে বলা হয়েছিল। এর মধ্যে ধান সংগ্রহের সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় আর নেওয়া সম্ভব হয়নি।”
এদিকে জানা গেছে, প্রতি বছর কৃষকদের সচেতন ও উৎসাহিত করতে ধান ক্রয়ের আগে মাইকিং করা হলেও এবার সেই উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুর রহমান জানান, আবেদনপত্রের ভিত্তিতে ধান সংগ্রহের নিয়ম থাকলেও কৃষি বিভাগের অনুমোদন না থাকায় অনেক কৃষকের ধান গ্রহণ করা যায়নি।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৮ হাজার ১১৮ হেক্টর জমিতে, যা অর্জিত হয়েছে শতভাগ। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭ হাজার ৪২৪ মেট্রিক টন, আর উৎপাদন হয়েছে ২৭ হাজার ৬৮৬ মেট্রিক টন।
কৃষকদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকা সত্ত্বেও সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে না পারায় তারা এখন বড় ধরনের আর্থিক চাপে পড়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ডিসেম্বর 2025
বৃ শু
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
bdit.com.bd