
পাগলীটা মা হয়েছে,বাবা হয় নি কেউ…আমাদের আশেপাশের কিছু অমানুষের কারণেই
পাগলীটার আজ এই অবস্থা।আজ সকালে হঠাৎ করে ১৫ নং ঘাট এলাকায়১ম ছবিতে থাকা অবস্থায়
আতিয়ার রহমান সজল ভাইয়ের দৃষ্টিতে পড়লে
তিনি ৯৯৯ সহ বেশ কয়েকটা জায়গায় যোগাযোগের পর
সি এন জি চালকদের সহায়তায়
রোগীকে বাচ্চা সহ হাসপাতালে প্রেরণ করেন..!!
আমার বাস্তবিক বিশ্লেষণ:
এই ঘটনাটা শুধু একজন মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর গল্প নয়,
এটা আমাদের সমাজের নীরব ব্যর্থতার গল্প।
একজন নারী যখন নিজের অবস্থাই বুঝতে পারে না,
তখন তার “সম্মতি” শব্দটার কোনো মূল্য থাকে না।
সেখানে যা ঘটে, সেটা ভালোবাসা নয়—
ওটা সরাসরি অপরাধ।আমরা রাস্তার পাশে এমন মানুষ দেখলেকরুণা দেখাই,কিন্তু প্রশ্ন করি না—এই অবস্থার জন্য কারা দায়ী?কারা সুযোগ নিয়েছে,
কারা মানুষ হয়েও অমানুষের মতো আচরণ করেছে?
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—
এই সমাজে অপরাধীরা অদৃশ্য থাকে,
আর শাস্তি ভোগ করে
সবচেয়ে দুর্বল মানুষটা।
আজ একজন মানুষ দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে এসেছে বলেইমা আর শিশুটি একটু নিরাপত্তা পেল।
কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়—
এই সমাজ কি শুধু ঘটনার পর মানবিক হবে,
নাকি ঘটনার আগেই মানুষ হতে শিখবে?
মানবতা মানে শুধু সাহায্য করা নয়,
মানবতা মানে দুর্বলকে রক্ষা করা
আর অপরাধীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানো।