
তরুনের হাতে এক শিশু কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে ধর্ষিত তরুনীর বাবা পঞ্চগড় সদর থানায় মৌখিক অভিযোগের পর ওই তিন অভিযুক্তকে পঞ্চগড় সদর থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। ঘটনাটি ২৫ মার্চ বিকেলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের কায়েতপাড়া গ্রামে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশুটির পিতা রশিদুল তার মেয়েকে নিয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় হাজির হয়ে মৌখিক ঘটনা জানালে পুলিশ তাৎক্ষনিক অভিযুক্তদের কায়েতপাড়া এলাকা থেকে আটক করে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শিশুটির পিতার দাবী আমার মেয়েকে তিনজন প্রতিবেশী তরুন ঘরে আটকে রেখে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষন করেছেন। আমি ওই তিন তরুনের কঠিন শ্বাস্তী দাবী করছি।
পুলিশ স্থানীয় প্রতিবেশী এবং ধর্ষিত শিশুর পরিবার জানান হাফিজাবাদ ইউনিয়নের ভ্যান চালক রশিদুল বাড়িতে না থাকার সুযোগে শিশুটি তার প্রতিবেশী দাদা বাবুলের বাড়ির সামনে খেলতে যায়। খেলা করার সময় কায়েতপাড়া এলাকার আনিসুরের ছেলে শিমুল ঘড় ঝাড়– দেওয়ার কথা বলে মফিদারের বাসায় নিয়ে যায় সেখানে বাড়ির মালিক মফিদারের ছেলে ফাহিম (১৯) প্রতিবেশী খসিমউদ্দিনের ছেলে সাকিব (১৭) তিনজন মিলে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষন করেন। এ সময় তরুনীর মুখ চেপে ধরেন। এ সময় শিশুটিকে মফিদারের বাসায় নিয়ে যেতে দেখে শিশুটির চাচা রতন দেখে ফেললে প্রায় ঘন্টাখানেক পর মফিদারের বাসায় গিয়ে ফাহিম সাকিব শিমুল সহ শিশুটিকে খাটের নিচ থেকে প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় উদ্ধার করা হয়ে। পরে শিশুটি তার পরিবারকে তিনজন মিলে শারিরীক নির্যাতনের ঘটনা জানান। পরে আজ বৃহস্পতিবার শিশুটির পিতা ভ্যান চালক রশিদুল এবং মাতা খালেদা আক্তার তাদের মেয়েকে নিয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় এসে ঘটনা জানালে পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আশরাফুল ইসলামের নির্দেশে সদর থানা পুলিশ অভিযুক্ত তিন তরুনকে আটক করে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন সেই সাথে শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন।
পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম জানান ঘটনার পর শিশুটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে তিন অভিযুক্ত তরুনকে থানা হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে সেই সাথে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।